আবুল কালাম আজাদ, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৫ নং কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের সিংহবাড়ী শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দিরে অত্যন্ত আনন্দঘন ও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে চার দিনব্যাপী বার্ষিক নাম কীর্তন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আয়োজনের তৃতীয় দিনে মন্দির প্রাঙ্গণ সনাতন ধর্মাবলম্বী হাজারো ভক্তবৃন্দের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে।
স্থানীয় সুধীজন ও মন্দির কমিটি সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিশেষ আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতায় জরাজীর্ণ বাঁশের ঝুপড়ি ঘর থেকে এই আধুনিক পাকা মন্দির ভবনটি নির্মিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ৫ নং কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপ্লবী নেতা মোঃ কামাল হোসেন বলেন, "আমাদের ইউনিয়নের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে এই আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছেন।" মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবেগপ্লুত হয়ে বলেন, "আমাদের শ্রদ্ধেয় নেতা সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বদান্যতায় আজ আমরা এত সুন্দর একটি পাকা মন্দির পেয়েছি।"
এই চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে খুলনা, গোপালগঞ্জ, কুয়াকাটা, বরিশাল ও বরগুনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে কীর্তনীয়া দল ও হাজারো ভক্ত সমবেত হয়েছেন। আগত সকল ভক্তদের জন্য প্রসাদ ও উন্নত আপ্যায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স ফাউন্ডেশনের বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ। তিনি অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, "ধর্মীয় এই চমৎকার আয়োজন আমাকে মুগ্ধ করেছে। কামাল হোসেনের মতো নেতৃবৃন্দ হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন, আর এমপি আলতাফ হোসেন চৌধুরী এই দৃষ্টিনন্দন মন্দির নির্মাণ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।"
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা মানবাধিকার গণমাধ্যম সোসাইটির সভাপতি রফিক জমাদ্দার। পটুয়াখালীর দুমকি থেকে আসা দর্শনার্থী সাথী রানী চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে থাকার কথা জানিয়ে বলেন, "দূরদূরান্ত থেকে আসা নারী ভক্তদের সুবিধার্থে এমপি মহোদয়ের কাছে একটি স্থায়ী বিশ্রামাগার বা থাকার ভবনের জোর দাবি জানাচ্ছি।"
স্থানীয় যুবদল নেতা আবু সালেহ মুসা জানান, চার দিনব্যাপী এই উৎসবে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য বিএনপির যুব ও ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের পক্ষ থেকেও অনুষ্ঠানে সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করা হচ্ছে।
এল মল্লিক কমপ্লেক্স (৭ম তলা) ১২ পুরানা পল্টন, ঢাকা।
মোবাইল : ০১৭৫০৬১৫৯৪১
ই-মেইল : banglatv71sm@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত